নির্যাতন ও অবহেলার সংজ্ঞা

এনওয়াই আইনে প্রকৃত ক্ষতি ও ক্ষতির ঝুঁকিসহ ব্যাপক অর্থে ঝুঁকিপ্রবণ ব্যক্তিদের নির্যাতন ও অবহেলাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে

শারীরিক নির্যাতন

ইচ্ছাকৃত স্পর্শ (শারীরিক আঘাত, পদাঘাত, ধাক্কাধাক্কি ইত্যাদি ) শারীরিক শাস্তি, আঘাত যা বর্ণনা করা যায় না এবং যা ব্যাপ্তি বা অবস্থানগত কারণে সন্দেহজনক, একবারে আঘাতের সংখ্যা বা সময়ের সাথে তার পুনরাবৃত্তি

মানসিক নির্যাতন

উপহাস করা, খারাপ নামে ডাকা, হুমকিমূলক শব্দ ব্যবহার করা বা অঙ্গভঙ্গি করা

যৌন নির্যাতন

অযথা স্পর্শ, অশ্লীল আচরণ, যৌন হয়রানি, অশালীন ছবি তোলা বা বিতরণ, যৌনক্রিয়া বা অন্যান্য যৌন শোষণ। একজন অভিভাবক এবং একজন সেবা গ্রহীতার মধ্যে সব ধরনের যৌন কার্যকলাপই যৌন হয়রানি, যদি না অভিভাবক ও একজন সেবা গ্রহীতা না হয়ে থাকেন

অবহেলা

তত্ত্বাবধান, পর্যাপ্ত খাবার, কাপড়, বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে ব্যর্থ হওয়া; অথবা শিক্ষার অধিকার প্রদানে ব্যর্থ হওয়া

ইচ্ছাকৃতভাবে আত্মসংযম বা নির্জনতার অপব্যবহার

অত্যধিক জোর করে, শাস্তি হিসেবে বা কর্মীদের সুবিধার জন্য এই হস্তক্ষেপগুলোর ব্যবহার

নিয়ন্ত্রিত দ্রব্য

আইনের বিপরীতে কোনো প্রকার নিয়ন্ত্রিত দ্রব্যের ব্যবহার, সেবন বা প্রদান করা

 

 

ইচ্ছার বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রণ

ব্যক্তি-নির্দিষ্ট আইনি অনুমোদন ব্যতীত আচরণ পরিবর্তন করতে অপ্রীতিকর শারীরিক উদ্দীপক ব্যবহার করা

প্রতিরোধ

নির্যাতন / অবহেলার সন্ধান, রিপোর্টিং বা তদন্তে বাধা দেয়া এবং মিথ্যা দলিল পেশ বা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বিবৃতি দেয়া